FeniOnline24 - Feni First Online Radio Station: Heath

FeniOnline24 - Feni First Online Radio Station

FeniOnline24 a live online Radio station from feni.

Feni Online 24 Radio Station

News Update

Feni online 24 radio station
Heath লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Heath লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০

৪:৩০ PM

চোখের অ্যালার্জি সমস্যা | এবার হবে প্রতিরোধ ৭টি টিপস জেনে!



পনার চোখ দিয়ে কি প্রায়ই পানি পড়ে? চোখ কি লাল হয়ে চুলকায় অথবা জ্বালা – পোড়া করে? যদি উত্তর হ্যাঁ হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে খুবই সতর্ক থাকতে হবে চোখের অ্যালার্জি সমস্যা নিয়ে। বলা হয়ে থাকে চোখ হচ্ছে মনের জানালা। কিন্তু কথাটি মিথ্যা হয়ে যাবে যদি অ্যালার্জির কারণে আপনার চোখ ফুলে লাল হয়ে থাকে বা অনবরত পানি পড়তে থাকে। অন্যান্য অ্যালার্জির মত চোখের অ্যালার্জিতে মানুষ তখনই আক্রান্ত হয় যখন তার শরীরের ইমিউন সিস্টেমে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। চোখের পিউপিল বা কালো মণির চারদিকে যে সাদা অংশ থাকে সেই অংশের আবরণের নাম কনজাংটিভা।

অ্যালার্জি জনিত কারণে কনজাংটিভার প্রদাহকে চুলকানি রোগ বলা হয়। যে সব দ্রব্য অ্যালার্জি সৃষ্টি করে তাকে বলা হয় এলারজেন। আমাদের ঘরে বাইরে চারপাশে প্রচুর অদৃশ্য পদার্থ আছে, এসব ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এলারজেন থেকেই চোখের অ্যালার্জি হতে পারে, ধুলোবালি, বিভিন্ন খাবারের মধ্যে থাকা রাসায়নিক পদার্থ ইত্যাদি এর মধ্যে অন্যতম। শুষ্ক মৌসুমে শুধু চোখের না বরং অন্যান্য অ্যালার্জিও বেশি হয়ে থাকে। তবে এটা জেনে রাখা ভালো যে সব অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী পদার্থেই সবার চোখে অ্যালার্জি হয় না। যাদের শরীরে অ্যালার্জি বেশি হয়, তাদের চোখের অ্যালার্জিও বেশি হয়। হাঁপানি রোগী, শিশু এবং যারা বাইরে ধূলোবালির সংস্পর্শে বেশি থাকে, তাদের মধ্যে চোখের অ্যালার্জি বেশি দেখা যায়। শুনে হয়ত অবাক হবেন যে মাথায় খুশকি থাকলেও চোখের অ্যালার্জিতে আপনি আক্রান্ত হতে পারেন।


চোখের অ্যালার্জি সমস্যা

২ ধরনের অ্যালার্জি দেখা যায় । সিজেনাল আর বারোমেসে।

১) সিজেনাল

সিজেনাল অ্যালার্জি বছরের নির্দিষ্ট একটি সময়ে হয়ে থাকে বিশেষ করে শরৎ কালে আর বসন্তকালে। এসব সময়ে এলারজেন যেমন ঘাস, গাছ থেকে পরাগ রেণু বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি ছত্রাক থেকে স্পোরও বাতাসে ছড়িয়ে আমাদের চোখের অ্যালার্জির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

২) বারোমেসে

বর্ষজীবী অ্যালার্জি সারা বছরই হয়ে থাকে। সাধারণত ধূলোবালি, পাখির পালক, পশুর গায়ের লোম, ধোঁয়া, ক্লোরিন, কসমেটিকস, পারফিউম ইত্যাদিও চক্ষু অ্যালার্জির জন্য দায়ী।

চোখের অ্যালার্জি সমস্যা হলে লক্ষণসমূহ

০১. চোখ লাল হয়ে যাওয়া।

০২. চোখে চুলকানি হওয়া আর অনবরত পানি পড়া।

০৩. চোখ খচখচ করা মানে চোখের ভেতর কিছু ময়লা পড়েছে এমন বোধ হওয়া।

০৪. চোখ ফুলে যাওয়া

চোখের অ্যালার্জি সমস্যা প্রতিরোধের উপায়

০১. চোখের অ্যালার্জির প্রিভেনটিভ হিসেবে গোলাপ জলের জুড়ি নেই। ২-৩ ফোঁটা গোলাপ জল অ্যালার্জি আক্রান্ত চোখে দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য চোখ বন্ধ করে রাখতে হবে যেন জলটা চোখে প্রবেশ করে আর ইনফেকশন সারিয়ে তোলে।

০২. ৩ চা চামচ লবণ এক গ্লাস পানিতে দিয়ে ২০ মিনিট ফুটাতে হবে। তারপর ঠাণ্ডা হলে এক টুকরা পরিষ্কার তুলা দিয়ে আক্রান্ত চোখের কোণা মুছতে হবে। যেন চোখে থাকা ময়লা বের হয়ে আসে এবং চুলকানি আর অস্বস্তি থেকে আপনাকে থেকে মুক্তি দেয়।

০৩. চোখের অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পানির অবদানের কথা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। চোখে চুলকানি হলে বা লাল হয়ে গেলে বারবার ঠাণ্ডা পানি দিন।

০৪. কিছু আমলকির গুঁড়োর সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাবেন। এতে আপনার ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি সাধন হবে আর অ্যালার্জি থাকবে আপনার কাছ থেকে দূরে।

০৫. সায়েনি এক ধরণের হার্ব। কিছুটা আমাদের দেশের মরিচের মতই। সায়েনি রক্ত সঞ্চালনে উন্নত করে এবং টক্সিন রিলিজ করতে সাহায্য করে। এভাবে চোখের ময়লাও পরিষ্কার করে।

চোখের অ্যালার্জি সমস্যা এড়িয়ে চলার কয়েকটি টিপস

০১. শুষ্ক মৌসুমে যখনই বাইরে বের হবেন ধূলোবালি থেকে রক্ষা পেতে নাকে-মুখে মাস্ক এবং চোখে সানগ্লাস ব্যবহার করবেন।

০২. চোখ চুলকালে আঙ্গুল দিয়ে চোখ রগড়াবেন না। সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলবেন।

০৩. টিভি বা কম্পিউটারের সামনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করবেন না।

০৪. সাবধানে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করবেন।

০৫. খেয়াল রাখবেন গরুর মাংস, চিংড়ি মাছ, ডিম জাতীয় কোন খাবারের কারণে আপনার অ্যালার্জি হচ্ছে কিনা।

০৬. ঘরের কার্পেট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

০৭. ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আই ড্রপ ব্যবহার করবেন।

০৮. আপনার যদি বাড়ীতে লোমশ পোষা কোন প্রাণী থাকে তাহলে তার থেকে সতর্ক থাকবেন।

মোট কথা সব সময় পরিষ্কার পরিছন্নতার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক সময় হয়ত বুঝতে পারেন না আপনার চোখের অ্যালার্জি কেন হচ্ছে। কিন্তু কিছু কিছু সময় যেমন বাইরে বেশি বাতাস হলে আপনি যদি বের হন বা ধোঁয়া যুক্ত জায়গায় গেলে যদি আপনার চোখে জ্বালা-পোড়া করে বা চুলকায় বা পানি পড়ে তাহলে বুঝবেন এগুলোই আপনার জন্য ক্ষতিকারক। তারপরও যদি বুঝতে না পারেন আপনি কিসের প্রতি সংবেদনশীল তাহলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

৪:১৯ PM

চোখের অ্যালার্জি

feni online

প্রতি চারজন মানুষের মধ্যে একজন কোনো না কোনো প্রকার চোখের অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন। এটা খুবই সাধারণ অসুখ, তবে ছোঁয়াচে নয়। অ্যালার্জিজনিত সমস্যা সাধারণত নির্মূল করা যায় না। তবে প্রতিরোধ করা যায়। কাজটা কিছুটা কঠিন যদিও।

 

অ্যালার্জি কী?

শরীরের এক ধরনের প্রতিরোধব্যবস্থার কারণেই অ্যালার্জি হয়। কোনো জিনিসের প্রতি শরীরের অতি সংবেদনশীলতা থাকলে ওই বস্তু বা জিনিস শরীরের সংস্পর্শে এলেই অতিদ্রুত লাল হয়ে যায়, চুলকায়, ফুলে যায়, পানি পড়ে ইত্যাদি। যখন অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বস্তু চোখের সংস্পর্শে আসে তখন চোখেও একই প্রতিক্রিয়া হয়। একে চোখের অ্যালার্জি বা কনজাংটিভাইটিস বলা হয়। অনেকে আবার চোখের অ্যালার্জিকে অন্য অসুখ বলে ভুল করেন।

 

কী কী দিয়ে অ্যালার্জি হয়?

যেসব পদার্থ দিয়ে অ্যালার্জি হয় তাদের বলা অ্যালার্জেন। যেমন-

* খাবার : ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, গরুর মাংস, ডিম, পালংশাক, পুঁইশাক ইত্যাদি।

* চোখে ব্যবহার্য প্রসাধনী সামগ্রী।

* উদ্ভিদ-ফুলের রেণু, ধুলাবালি, পোকামাকড় ইত্যাদির চোখে প্রবেশ।

* ওষুধে ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ ও ওষুধের পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়া।

 

অ্যালার্জির প্রকার

সাধারণত চোখে ছয় ধরনের অ্যালার্জি হতে দেখা যায়।

* সিজনাল অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস

* পেরেনিয়াল অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস

* ভারনাল কেরাটোকনজাংটিভাইটিস

* অ্যাটাপিক কেরাটোকনজাংটিভাইটিস

* জায়ান্ট প্যাপিলারি কনজাংটিভাইটিস

* কন্ট্যাক্ট অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস

সিজনাল অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস : সবচেয়ে বেশি হয়। বিশেষ বিশেষ ঋতুতে এর প্রকোপ বাড়ে। যেমন, শীতের শেষে। বাতাসে ভেসে বেড়ানো ফুলের রেণু, ধুলাবালি ইত্যাদি অ্যালার্জেন চোখ ও নাকের সংস্পর্শে এলেই চুলকানি হয়, চোখ লাল হয়ে যায়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে চোখ ফুলে যায়, নাক দিয়ে সর্দি ঝরে, হাঁচি-কাশি হয়, নাকবন্ধভাব হয়। অনেক সময় জ্বরও থাকে।

যাদের এই অ্যালার্জি বেশি হয়, তাদের চোখের চারপাশে কালো দাগ পড়ে যায়।

পেরেনিয়াল অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস : সারা বছর ধরেই এ রোগটি কমবেশি হতে দেখা যায়। সাধারণত লেপ, তোশক, কাঁথা ইত্যাদি থেকে চোখের এই অ্যালার্জি হয়ে থাকে। লক্ষণ কমবেশি সিজনাল কনজাংটিভাইটিসের মতোই।

ভারনাল কেরাটোকনজাংটিভাইটিস : শীতের শেষের দিকে, ফেব্রুয়ারি-মার্চে, রোগটি বেশি হয়। এতে সাধারণত ছোটরা বেশি আক্রান্ত হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমতে থাকে। রোগটি খুব কষ্টকর। আক্রান্ত হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। শতকরা তিনজন এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। কোনো কোনো সময় এ রোগটি তীব্র আকার ধারণ করে। ঠিকমতো চিকিৎসা না করলে চোখের মণিতে ক্ষত হতে পারে। মণি ঘোলা হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। এ রোগে যারা আক্রান্ত হন তাদের অনেকের আবার হাঁপানি, চর্মরোগ ইত্যাদি থাকে। নিয়মিত চিকিৎসা করা জরুরি। এ রোগে লক্ষণ হিসেবে চোখে চুলকানি, চোখ দিয়ে বেশি পানি ঝরা, চোখের ভেতরে কিছু আটকে থাকার অনুভূতি, আলোর দিকে তাকাতে অসুবিধা ইত্যাদি হতে পারে।

অ্যাটপিক কেরাটোকনজাংটিভাইটিস : সাধারণত বয়স্ক মানুষ এতে বেশি আক্রান্ত হয়। আগে থেকেই যাদের ত্বকের প্রদাহ বা ডার্মাটাইটিস থাকে তাদের রোগটি হওয়ার ঝুঁকি বেশি। সারা বছরই রোগটি হতে দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় চুলকায়, চোখ জ্বলে, লাল হয়ে যায়, ঘুম থেকে উঠলে চোখের কোণে ময়লা জমে থাকে ও চোখ খুলতে অসুবিধা হয়।

যথাসময়ে চিকিৎসা না করা হলে, চোখের কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কন্ট্যাক্ট অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস : সাধারণত যারা চোখে কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন তাদের বেশি হয়। এ ক্ষেত্রে চোখ লাল হয়, চুলকায়, লেন্স পরলে অসুবিধাবোধ হয়, চোখ থেকে ঘন তরল ঝরে।

জায়ান্ট প্যাপিলারি কনজাংটিভাইটিস : কন্ট্যাক্ট অ্যালার্জিরই একটি মারাত্মক ধরন এটি। এ ক্ষেত্রে চোখ চুলকায়, চোখ ফুলে যায়, পানি ঝরে, দৃষ্টি ঝাপসা হয়, সব সময় মনে হয় চোখে কিছু আটকে আছে, চোখ থেকে মিউকাস ঝরে।

 

যাদের বেশি হয়

পারিবারিকভাবে যাদের হাঁপানি, চর্মরোগ, সর্দিজ্বর ইত্যাদি বেশি হওয়ার ইতিহাস থাকে তারা অন্যদের চেয়ে বেশি মাত্রায় চোখের অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভোগে। তবে চোখের কোনো কোনো অসুখও অনেক সময় অ্যালার্জি বলে মনে হতে পারে। এ ধরনের অসুখের মধ্যে আছে-চোখ ওঠা, আঘাতজনিত চোখের প্রদাহ ইত্যাদি।

 


চিকিৎসা

চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই ভালো। এ জন্য-

* অ্যালার্জি উদ্রেককারী বস্তু থেকে দূরে থাকতে হবে

* চোখে সানগ্লাস বা রোদচশমা ব্যবহার করতে হবে।

* কোনো কিছুতে হাইপারসেনসিটিভিটি বা অতিসংবেদনশীলতা হলে তার চিকিৎসা করাতে হবে।

আক্রান্ত হলে অনেক ধরনের ওষুধ আছে। স্বল্পমেয়াদি চিকিৎসা হিসাবে সাধারণত চোখের ড্রপ ও অ্যালার্জিপ্রতিরোধী ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। এতে ভালো না হলে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা গ্রহণ করতে হয়। এগুলোর মধ্যে আছে অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ, মাস্টসেল স্টাবিলাইজার, স্টেরয়েড ইত্যাদি। কখনো কখনো চোখের কর্নিয়া ঠিক রাখতে চোখের কৃত্রিম পানি ড্রপ হিসেবে নিয়মিত দিতে হয়। নাকবন্ধভাব থাকলে ডিকনজাস্ট্যান্ট (নাকবন্ধভাব দূর করতে যে ওষুধ ব্যবহৃত হয়) দিতে হয়। তবে আগে থেকেই যাদের চোখের অসুখ, যেমন গ্লুকোমা, আছে তাদের ক্ষেত্রে ডিকনজাস্ট্যান্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। অনেক সময় চোখে ব্যথার অনুভূতি কমানোর জন্য পেইনকিলার ড্রপও ব্যবহার করা হয়।

যাদের চোখের অ্যালার্জি বারবার হয়, তাদের ক্ষেত্রে কর্টিকোস্টেরয়েডজাতীয় চোখের ড্রপ ব্যবহার করতে হতে পারে। তবে এ ধরনের ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে ইনফেকশন, গ্লুকোমা ও ছানি হতে পারে।

 

চোখের অ্যালার্জির পরিণতি

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সারা জীবন অ্যালার্জির সমস্যা হতে দেখা যায়। তবে ভারনাল কেরাটোকনজাংটিভাইটিসে শিশু বয়সে যারা আক্রান্ত হয়, বয়স বাড়লে তা সেরে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে চোখের অ্যালার্জির কারণে ওপরের পাতা ঝুলে যেতে পারে। চোখের কর্নিয়ায় ক্ষত হয়ে ঘোলা হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে।

অনেকেই চোখে অ্যালার্জি হলে স্টেরয়েড ব্যবহার করেন। এতে অ্যালার্জি সেরে যায়; কিন্তু চোখের অন্য অসুখ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। যেমন, গ্লুকোমা।

তাই যাদের কিছুদিন পরপরই অ্যালার্জি হয় তাদের উচিত চোখের ডাক্তারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা ও ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ ব্যবহার করা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০

১২:৪৯ PM

চোখের যে ৯ লক্ষণ হেলাফেলা করবেন না

chokh er somossa


শরীরের নানা সমস্যা চোখে প্রতিফলিত হয়। চিকিৎসকরা এ কারণে চোখ দেখেই বহু রোগের লক্ষণ নির্ণয় করতে পারেন। এ লেখায় দেওয়া হলো চোখের তেমন ৯টি লক্ষণ। আপনার চোখে যদি এর কোনো একটি লক্ষণও দেখা যায়, তাহলে দেরি করবেন না। দ্রুত ব্যবস্থা নিলে অনেক সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব হবে।

১. চোখে ছোট লাল দাগ : চোখের সাদা অংশে যদি বিন্দু বিন্দু রক্ত জমে লাল দাগ তৈরি হয় তাহলে তা অবহেলা করবেন না। এটি হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ। এটি হতে পারে সিডিসির একটি লক্ষণ, যা প্রচুর মানুষের হয়ে থাকে। যদি রক্তের চিনির মাত্রা অনেকখানি বেড়ে যায় তাহলে এটি হতে পারে।

২. রক্ত জমাট বাঁধা : চোখে বিভিন্ন সমস্যার কারণে কিছুটা বড় আকারে রক্ত জমাট বাঁধার মতো চিহ্ন দেখা যায়। এটি হতে পারে মারাত্মক কাশি থেকে শুরু করে ফাঙ্গাস সংক্রমণের কারণেও।

৩. চোখে চুলকানি : অ্যালার্জি থাকলে প্রায়ই তা চোখে চুলকানির সৃষ্টি করে। এতে চোখ ফুলে যেতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে তা লাল হয়েও যেতে পারে। ধুলাবালি কিংবা অ্যালার্জির প্রতি সংবেদনশীল কোনো খাবার খেলেও এটি হতে পারে। এতে অনেকের চোখ শুকিয়ে যায়, যা মারাত্মক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

৪. শুষ্ক চোখ : নানা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় চোখের শুষ্কতা আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ঘুমের ওষুধ, ব্যথার ওষুধ কিংবা উদ্বেগ থেকে মুক্ত থাকার ওষুধ সেবনে। তবে চোখের কিছু রোগের কারণেও আর্দ্রতা তৈরিকারী গ্ল্যান্ড অকার্যকর হয়ে এমনটা হতে পারে।

৫. কাছের জিনিস দেখতে সমস্যা : অনেক মানুষই বয়স হলে এ সমস্যায় আক্রান্ত হয়। তবে তা ঠিকঠাক ব্যবস্থা নিলে একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ে দীর্ঘদিন আটকে রাখা যায়। কিছু ওষুধের প্রতিক্রিয়ায়ও এ সমস্যা হতে পারে।

৬. ঝাপসা দৃষ্টি : চোখের নানা সমস্যার কারণে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের এ সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৭. হঠাৎ আলোর ঝলকানি দেখা : রেটিনার মারাত্মক সমস্যার একটি লক্ষণ হতে পারে এটি। যদি এ সমস্যার সঙ্গে চোখে ছায়া দেখা যায় তাহলে তা রেটিনা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যায় অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৮. চোখে ব্যথা : চোখের সামান্যতম ব্যথার মতো সমস্যায়ও চিকিৎসক দেখিয়ে নেওয়া ভালো। কারণ চোখের ডাক্তাররা বিভিন্ন লক্ষণ দেখে আগেভাগেই কয়েক ধরনের ক্যান্সার নির্ণয় করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে ব্রেন টিউমার। আপনি আয়নায় দেখে কোনোভাবেই এ লক্ষণগুলো বুঝতে পারবেন না।

৯. সাদা বৃত্ত : চোখের চারপাশে যদি সাদা বা হলদেটে বৃত্ত দেখা যায় তাহলে তা কোলেসটেরলের একটি লক্ষণ। এমনটা দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

৪:৪১ PM

ফোঁটা ফোঁটা লেবুবিজ্ঞান

করোনাকালের লেবুপানি দিবস

লেবুর যে বিজ্ঞান আছে সেটা আমরা কমবেশি সবাই জানি। সাধারণ বিজ্ঞান হলো, লেবু ভিটামিন সি যুক্ত টক জাতীয় ফল। বিজ্ঞানের আরও ভেতরে প্রবেশের আগে একটি গল্প বলি।

ক্যাপ্টেন জেমস কুক (১৭২৮-১৭৭৯) নাবিকদের স্কার্ভি রোগ থেকে বাঁচাতে প্রচুর পরিমাণ লেবু নিয়েছিলেন নিজের জাহাজে। প্রতিদিন নিয়ম করে নাবিকদের সেই লেবু খেতে হতো। এর ফলে স্কার্ভি রোগে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন জেমস কুকের নাবিকেরা। বুঝতেই পারছেন, ক্যাপটেন কুক সেই বেঁচে থাকা নাবিকদের নিয়ে আবিষ্কার করেছিলেন হাওয়াই দ্বীপ।

স্কার্ভি রোগ হয় ভিটামিন সির অভাবে। লেবু হচ্ছে ভিটামিন সির খুব ভালো উৎস। শুধু ভিটামিন সি-ই নয়। লেবুতে আছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, কে, কার্বহাইড্রেট, প্রোটিন, রিবোফ্লোবিন, মিনারেল, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফসফরাস। এতে কোনো সম্পৃক্ত চর্বি ও কোলেস্টেরল নেই। ক্যালরি আছে খুব কম মাত্রার। ভিটামিন সি শুধু যে রোগ সারায়, তা-ই নয়। এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলে। নিয়মিত লেবু খাওয়ার ফলে ওজন কমে, নখ ও ত্বক সুন্দর থাকে, পাকস্থলী সুস্থ থাকে। এ ছাড়া আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ রোগ সারাতে লেবু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলার তথ্যটির জন্যই এই করোনাকালে মানুষ লেবুপানির প্রতি ঝুঁকেছে বেশি। এমন নয় যে বাঙালি লেবু খেত না। বাঙালির খাবার পাতে লেবুর উল্লেখ পাওয়া যায় বহু আগে থেকেই।


পনেরো শতকের কবি বিজয়গুপ্ত তাঁর ‘পদ্মাপুরাণ’ কাব্যে কমলা, নারঙ্গ, লেবু, ছোলঙ্গ, পাতি লেবু, কাগজি লেবু ইত্যাদির উল্লেখ করেছেন। এগুলো সবই মূলত লেবু ও লেবুজাতীয় ফল। এই লেবুজাতীয় ফলগুলো ১৭টি প্রজাতিতে বিভক্ত। তবে এর মধ্যে বেশির ভাগই বন্য প্রজাতির। লেমন, লাইম, সাইট্রোন, ম্যান্ডারিন অরেঞ্জ, সুইট অরেঞ্জ, পামেলো—সাধারণত এই কয়েকটি প্রজাতির লেবু ও লেবুজাতীয় ফল আমরা খেয়ে থাকি।


আমাদের অতি পরিচিত ও প্রিয় কাগজি লেবু লাইম প্রজাতির, শরবতি লেবু সুইট লাইম প্রজাতির। পাতি লেবু, কলম্ব, এলাচি, সিডলেস (বিচিহীন) লেবু হচ্ছে লেমন। জামির এবং এর সহোদর জারা লেবু সাইট্রোন প্রজাতির। কমলালেবু মান্ডারিন অরেঞ্জ এবং মাল্টা সুইট অরেঞ্জ প্রজাতির আর জাম্বুরা বা বাতাবি লেবু পামেলো প্রজাতির ফল। সাতকড়া হচ্ছে সাইট্রাস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত লেবুজাতীয় সবজি। এ ছাড়া বারি লেবু ১, বারি লেবু ২, বারি লেবু ৩, বারি লেবু ৪, বারি লেবু ৫ এবং বারি কাগজি লেবু ১ নামের উচ্চফলনশীল লেবুর জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। এই সব ফলকেই আমরা ‘লেবু’ হিসেবে চিনি এবং নিয়মিত খেয়ে থাকি।

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০

৮:০৫ PM

আপনার আঙ্গুলগুলি আপনাকে আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলতে পারে। আপনার কী ধরণের আঙ্গুল রয়েছে?

 

Your fingers can tell you a lot about your personality

এই গবেষণার কিছু চমকপ্রদ ফলাফল রয়েছে!


গবেষণা সর্বদা করা হয় এবং এর বেশিরভাগই নজরে থাকে না, তবে কখনও কখনও আমরা এমন কিছু ফলাফল উপস্থিত করি যা ভাগ না করা খুব আকর্ষণীয়। নতুন তথ্যগুলি খুঁজে বের করা মজাদার হতে পারে, যদিও মাঝে মাঝে আপনি এমন জিনিসগুলি উপস্থিত করেন যা আপনি জানেন না। এবং তারপরে সমস্যা রয়েছে যে ফলাফলগুলি সঠিক কিনা তা সর্বদা সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয় না।


আঙুলগুলি

ভাগ্যক্রমে, আজ আমরা আপনার কাছে যে তথ্য পেয়েছি তা মজাদার ধরণের! দেখা যাচ্ছে যে আপনার হাত আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলতে পারে। এটা সত্যিই বেশ উদ্ভট। এই গবেষণাটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনার আঙ্গুলগুলিতে ফোকাস করে। আপনার আঙ্গুলগুলি আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে কী বলে তা নির্ধারণ,

tree 3 king of fingers

গোপনীয়তা আপনার রিং আঙুল এবং তর্জনী আঙুলের মধ্যে রয়েছে। আপনি কী ধরনের ব্যক্তি তা সম্পর্কে এটি অনেক কিছু বলতে পারে। এই পরীক্ষাটি কেবল পুরুষদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য কারণ এই আঙ্গুলগুলির দৈর্ঘ্য পুরুষদের মধ্যে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নির্দেশ করে। তিন ধরণের রয়েছে: এ, বি এবং সি


A.  রিং আঙুলটি তর্জনির আঙুলের চেয়ে দীর্ঘ
আমরা এখানে সুদর্শন পুরুষদের নিয়ে কথা বলছি। তারা মনোমুগ্ধকর এবং সবার সাথে মিলিত হতে পারে। তবুও তারা কিছুটা আক্রমণাত্মক এবং ঝুঁকি নিতে দ্রুত। এর অর্থ হ'ল এই ধরণের ব্যক্তি প্রায়শই একটি সংক্ষিপ্ত রিং আঙুল দিয়ে তাদের সহকর্মীদের চেয়ে বেশি অর্থোপার্জন করে।

B.  রিং আঙুলটি তর্জনীর চেয়ে কম
এই হাতগুলির সাথে পুরুষরা খুব আত্মবিশ্বাসী এবং এমনকি কিছুটা স্নিগ্ধ হতে পারে। এই লোকেরা প্রায়শই একা থাকতে কোনও সমস্যা হয় না এবং বিরক্ত হওয়া পছন্দ করেন না। তবে যখন প্রেমের কথা আসে তখন তারা কম আত্মবিশ্বাসী হয় কারণ তারা প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার এবং উদ্যোগ গ্রহণকারী নয়।

C. রিং আঙুল এবং তর্জনী একই দৈর্ঘ্য
হতে পারে এটি ইতিমধ্যে যথেষ্ট বলেছে ... এই হাতযুক্ত পুরুষরা ভাল মধ্যস্থতাকারী, খুব অনুগত এবং প্রেমময়। এই ধরণের সাথে সবকিছুই ভারসাম্যপূর্ণ। তারা শান্ত এবং সমস্ত কিছু সুচারুভাবে চলতে চলেছে মনে হয় যেন এগুলি সমস্তই সুসংহত।

আপনি কী ভাবেন, এই বিভাগগুলির কোনও একটিতে আপনি নিজেকে বা প্রিয়জনকে চিনবেন?

সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

৪:১১ PM

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা

চলতি বছর দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৩০০ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মাত্র একজন রোগী ভর্তি হয়। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা মাত্র দুজন। আশার খবর হলো, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ইতোমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি ২৯৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনো খুবই সীমিতসংখ্যক থাকলেও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এপ্রিল মাস থেকে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু মৌসুম শুরু হয়। ফলে এসময়ে মশক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশে করোনাভাইরাস এর মারাত্মক সংক্রমণ থাকায় অধিকাংশ হাসপাতালে চিকিৎসকরা করোনাভাইরাসের রোগী সামলাতে ব্যস্ত। করোনাভাইরাসের উপসর্গ ও ডেঙ্গু রোগের উপসর্গ একই ধরনের হওয়ায় চিকিৎসা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে জ্বরের রোগী দেখলেই চিকিৎসকরা করোনা পরীক্ষা ছাড়া ভর্তি ও চিকিৎসা করতে অপারগতা জানাচ্ছেন। ফলে এ সময়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়লে করোনা পরীক্ষায় কালক্ষেপণের কারণে চিকিৎসা বিলম্বিত হতে পারে।
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি মশার উপদ্রব মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন এলাকার লোকজনের অভিযোগ একদিকে করোনার ভয় অন্যদিকে মশার উপদ্রবে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে দু’জন নগরপিতা থাকলেও মশক নিধনে তাদের কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। জনসচেতনতায় প্রচার-প্রচারণাও নেই। সবাই এখন করোনা নিয়ে ব্যস্ত।
রোগতত্ত্ব ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লে তা নিয়ন্ত্রণ করা দুরূহ হয়ে পড়বে। মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করাসহ জনসচেতনতা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০

১০:০৯ PM

ইসুবগুলের ভুষি খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানেন?

কোলেস্টেরল ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে চাইলে ইসুবগুলের ভুষি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

FeniOnline24 feni online radio station
ফেনী অনলাইন রেডিও


আমরা সবাই ইসবগুলের ভুষির সাথে পরিচিত। অনেকেই ঘুমানোর আগে ইসুবগুলের ভুষি খেয়ে থাকেন। অনেকে আবার সারারাত ইসুবগুলের ভুষি পানিতে ভিজিয়ে রেখে তারপর সকালে খান। কিন্তু, ইসুবগুলের ভুষি রাতের খাবারের পরে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে না রেখে পানি দিয়ে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে ফেলতে হয়। এতে ভালো ফল দেয়।

ইসবগুলের ভুষির কার্যকারিতা জেনে নিন: 

১. পেটের প্রায় সব ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ইসুবগুল হতে পারে এক উত্তম ঔষুধ। পেট ঠাণ্ডা রাখতে ইসুবগুল ভুষির ভূমিকা অনন্য।

২. তাছাড়া পেট ব্যথা দূর করতে ইসুবগুলের ভুসি খেতে পারেন। এর মিউসিলেজিনাস ভূমিকার কারণে আলসারজনিত পেট ব্যথা কম মনে হয়।

৩.ইসবগুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যামিনো এসিড রয়েছে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। প্রতিদিন দুই থেকে তিন চা চামচ ইসবগুল ভুষি এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে দুই থেকে চারবার খেতে পারেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় সমাধান পাবেন।

৪. আঁশসমৃদ্ধ খাবার ইসুবগুল। নিয়মিত ইসুবগুলের ভুষি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। আমাশয় কিংবা অর্শ রোগ থেকে দূরে থাকতে পারবেন। দ্রুত ফল পেতে দইয়ের সঙ্গে ইসুবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন।

৫. কোলেস্টেরল ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে চাইলে ইসুবগুলের ভুষি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

তথ্য: সংগৃহীত। 
"Fenionline 24" radio station keep update bangla songs every day. Thanks for Visit our "feni online" 24 radio station website.